ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতে চাই নির্বাচন: মির্জা ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়, বরং ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য নির্বাচন চায়। জনগণই দেশের প্রকৃত মালিক, তাই সংস্কারের অজুহাতে নির্বাচন বিলম্বিত করার সুযোগ নেই, বলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) জাতীয় উদ্যোগের আয়োজনে ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফখরুল বলেন,
দেশ যতদিন নির্বাচনের বাইরে থাকবে, ততদিন অস্থিতিশীলতা বাড়বে। সরকারের উচিত ছিল অনেক আগেই নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।
চলমান ঐকমত্য কমিশনের সংস্কার বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলো ১২টি মৌলিক বিষয়ে একমত হয়েছে। বাকি সংস্কার দ্রুত শেষ করুন, লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা ও তারেক রহমানের বৈঠকের কমিটমেন্ট অনুযায়ী ফেব্রুয়ারির মধ্যভাগে নির্বাচন দিন, আহ্বান জানান ফখরুল।
তিনি অভিযোগ করেন,
বর্তমানে দেশে জনগণের কোনও প্রতিনিধি নেই, সাধারণ মানুষ তাদের মনের কথা বলতে পারছে না। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এভাবে দেশ চলতে পারে না। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য নির্বাচনই একমাত্র পথ।
বিএনপির মহাসচিব উল্লেখ করেন, ৪৭ সালের দেশ বিভাগের পর থেকে এখনো আমরা সত্যিকারের মুক্ত নই। চীন প্রতিদিন বদলাচ্ছে, অথচ আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি, বলেন তিনি।
জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের তালিকা সরকার প্রকাশ না করায় দুঃখ প্রকাশ করে ফখরুল বলেন, তাদের পাশে দাঁড়ানো উচিত ছিলো।
আত্মবিশ্বাস ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ৫২-র ভাষা আন্দোলন, ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে আমরা জয়লাভ করেছি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদ হাসিনাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছি। এবারও জিতবো। ভোটের মাধ্যমেই জনগণের প্রকৃত বিজয় নিশ্চিত হবে।
বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন,
মতভেদ থাকবে, বিরোধিতা থাকবে। কিন্তু এমন বক্তব্য দেবেন না যাতে অপ্রয়োজনীয় তিক্ততা সৃষ্টি হয়।
সবার দেশ/কেএম




























