সংবিধান পরিবর্তনের অধিকার কারও নেই: সালাহউদ্দিন আহমদ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বৈধ ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ছাড়া বাংলাদেশের সংবিধান পরিবর্তনের কোনও অধিকার কারও নেই।
তিনি সতর্ক করেছেন, যদি এমন হয়, তাহলে ভবিষ্যতে দুই বা পাঁচ বছরের মধ্যেই বারবার সংবিধান পরিবর্তনের দাবি উঠতে পারে।
শনিবার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সংগঠন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়েছে এবং এ অভিপ্রায়ের ভিত্তিতেই সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে সে অভিপ্রায় বাস্তবায়নের জন্য সুপ্রিম কোর্ট ও আর্টিকেল ১০৬-এর মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন ও উপদেষ্টাদের শপথ নেয়া হয়েছে। আমরা তা বৈধ প্রক্রিয়া হিসেবে মেনে নিয়েছি।
তিনি আরও বলেন,
রাষ্ট্র কোনও খেলা নয়। ১৮ কোটি মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা করা যাবে না। দেশের জনগণই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মালিক। কোনও রাজনৈতিক দলের অভিসন্ধির কাছে আমরা মাথা নত করবো না।
সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতি নিয়ে তিনি বলেন, দেশের ৫৬ শতাংশ মানুষ এ পদ্ধতি বোঝে না। তাই এমন বিষয় নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করা উচিত নয়।
নির্বাচনের বিলম্ব ও অস্থিরতা নিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, যে শক্তি নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি ও বিলম্বের চেষ্টা করছে, তার পক্ষে কিছু রাজনৈতিক দল কাজ করছে। যদি নির্বাচন বিলম্বিত হয়, তাহলে ফ্যাসিবাদের পুনরায় উৎপাত হবে।
তিনি যোগ করেন, সংবিধানের যে অংশ বাস্তবায়ন করতে হবে, তার জন্য পরবর্তী সংসদ ও সংবিধান সংশোধনের নির্ধারিত প্রক্রিয়াই যথেষ্ট। এ অংশগুলো কার্যকর করার দায়িত্ব পরবর্তী জাতীয় সংসদকেই নিতে হবে।
সবার দেশ/কেএম




























