Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:৩০, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

আপডেট: ০০:৩১, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

‘বাস্তবায়ন আদেশ না দেখা পর্যন্ত সই নয়’ — জুলাই সনদ নিয়ে এনসিপির কঠোর অবস্থান

‘বাস্তবায়ন আদেশ না দেখা পর্যন্ত সই নয়’ — জুলাই সনদ নিয়ে এনসিপির কঠোর অবস্থান
ছবি: সংগৃহীত

ঐতিহাসিক ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এ স্বাক্ষর না করার আনুষ্ঠানিক কারণ জানালো জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি স্পষ্ট জানিয়েছে— সনদের বাস্তবায়ন আদেশ ও পদ্ধতির পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা না দেখা পর্যন্ত তারা এতে স্বাক্ষর করবে না।

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) রাতে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার দলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে লিখেছেন,

এনসিপি মনে করে, জুলাই সনদ কেবল রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল নয়—এটি রাষ্ট্রের স্বৈরতান্ত্রিক ভিত্তি ভেঙে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের নকশা। তাই এর সুস্পষ্ট আইনি ও সাংবিধানিক ভিত্তি থাকা অপরিহার্য।

তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে এক বছর কাজ করলেও সনদের অঙ্গীকারনামায় বাস্তবায়ন পদ্ধতির কোনো উল্লেখ নেই। এটি জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। অতীতের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিজ্ঞতার কারণেই এনসিপি এবার ‘অতিরিক্ত সতর্ক’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

দলটি তিনটি নির্দিষ্ট শর্ত জানিয়েছে—

  • জুলাই সনদের বাস্তবায়ন আদেশের পূর্ণাঙ্গ টেক্সট ও গণভোটের প্রশ্ন আগেই প্রকাশ করতে হবে।
  • প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছার প্রতিফলন হিসেবে সে আদেশ জারি করবেন।
  • গণভোটে জনগণ সনদের পক্ষে রায় দিলে, পরবর্তী সংসদ সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে ‘বাংলাদেশ সংবিধান ২০২৬’ প্রণয়ন করবে, এবং কোনও ভিন্নমত বা নোট অব ডিসেন্ট কার্যকর থাকবে না।

এনসিপির মতে, এ নিশ্চয়তাগুলো ছাড়া জুলাই সনদের সাংবিধানিক ভিত্তি দুর্বল থেকে যাবে। তাই বাস্তবায়ন আদেশে এসব বিষয় স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত না করা পর্যন্ত তারা সনদে স্বাক্ষর করবে না।

দলটি আরও জানিয়েছে, অন্যান্য রাজনৈতিক দল যেসব আদর্শিক কারণে সই করেনি—বিশেষত ১৯৭২ সালের সংবিধানের মৌলনীতি রক্ষার যুক্তিতে—তাদের সঙ্গে এনসিপির অবস্থানের মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। এনসিপি বলছে, তাদের আপত্তি মূলত প্রক্রিয়াগত ও সাংবিধানিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সীমাবদ্ধ।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

খামেনি হত্যার প্রতিশোধের লাল পতাকা উড়ালো ইরান
ইসরায়েলি হামলায় কেঁপে উঠলো ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবন
চরাঞ্চলের অর্থনীতিতে ভরসা প্রাণিসম্পদ খাত, সেবার সংকটে শঙ্কা
রাষ্ট্রপতির অভিশংসনেই সংসদের যাত্রা শুরু হোক: আসিফ
ইরানে হামলার তীব্র নিন্দা জামায়াত আমিরের
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করে গ্রেফতারের দাবি নাহিদ ইসলামের
যুক্তরাষ্ট্রে রাতভর গোলাগুলি, নিহত ৩, আহত ১৪
ভারত থেকে দেশে ফিরলো আওয়ামী এমপির লাশ
যশোরে জেলা জজ পদশূন্য, ভারপ্রাপ্ত জজের ওপর অনাস্থা
খামেনিকে হত্যা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
কোকো ভাইয়ের অবদান তুলে ধরতে পারিনি—অনুশোচনায় তামিম
হরমুজ প্রণালি বন্ধে বিশ্ব তেলবাজার টালমাটাল-দাম লাফিয়ে প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দায়িত্বশীল প্রশাসনের ওপর গুরুত্বারোপ
বীরগঞ্জে ২ মাদক সেবীর কারাদণ্ড
খাগড়াছড়িতে আঞ্চলিক ও জেলা পরিষদ নির্বাচনসহ ৭ দফা দাবিতে স্মারকলিপি
আধিপত্যবাদের নগ্নরূপ: আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট
ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমেদিনেজাদ নিহত: রিপোর্ট
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র চুরমার করলো ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা, নিহত ৮