মেসির গোলেও হারের স্বাদ মিয়ামির
একই দিনে গোল গোলের কীর্তি রোনালদো ও তার ছেলের
ফুটবলের ইতিহাসে বাবা-ছেলের একসঙ্গে মাঠে নামা বিরল ঘটনা, তারও চেয়ে বিরল এক দিনে তাদের দুজনের গোল পাওয়া। শনিবার এমনই এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত উপহার দিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও তার ছেলে ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়র। একই দিনে গোল করেছেন দুজনেই— বাবা সৌদি প্রো লিগে, ছেলে পর্তুগালের অনূর্ধ্ব–১৬ দলের হয়ে।
রোনালদোর কাছে দিনটি ছিলো স্মৃতিময়ও। ২০০৩ সালের ১ নভেম্বর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে প্রথম গোল করেছিলেন তিনি। ২২ বছর পর, সে একই দিনে আবারও গোল পেলেন সৌদি প্রো লিগে নিজের বর্তমান ক্লাব আল নাসরের হয়ে।
শনিবার রাতে আল ফেইহার বিপক্ষে ম্যাচে ৩৭ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন রোনালদো। যদিও নির্ধারিত সময় শেষে স্কোরলাইন ছিল ১–১। তবে ইনজুরি টাইমের ১৫তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন পেনাল্টি থেকে, এনে দেন আল নাসরের ২–১ ব্যবধানের জয়। এ জয়ের মাধ্যমে সৌদি প্রো লিগে ৭ ম্যাচ শেষে ২১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠে এসেছে রোনালদোর ক্লাব। আর ক্যারিয়ারের সর্বমোট গোল সংখ্যা দাঁড়াল ৯৫২— হাজার গোলের স্বপ্নের আরও কাছাকাছি গেলেন তিনি।
এদিকে, পর্তুগালের ফেডারেশন কাপে ওয়েলসের বিপক্ষে অনূর্ধ্ব–১৬ দলে খেলার সুযোগ পান রোনালদো জুনিয়র। প্রথমার্ধের ৪২ মিনিটে কার্লোস মইতার অ্যাসিস্ট থেকে নিচু শটে গোল করেন তিনি। বাবার মতো ঠাণ্ডা মাথায় নেয়া সে ফিনিশিংয়ে পর্তুগাল এগিয়ে যায় ১–০ ব্যবধানে এবং শেষ পর্যন্ত জেতে ৩–০ গোলে।
এ ম্যাচ দিয়েই আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে গোলের খাতা খুললেন ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়র। কয়েকদিন আগেই তুরস্কের বিপক্ষে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে তার অভিষেক হয়েছিলো পর্তুগালের এ বয়সভিত্তিক দলে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) গোল পেয়েছেন রোনালদোর আজীবন প্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসিও। কিন্তু গোল পেলেও জয় পাননি তিনি। ন্যাশভিলের বিপক্ষে ২–১ ব্যবধানে হেরেছে তার ক্লাব ইন্টার মিয়ামি। ম্যাচে একমাত্র গোলটি করেন আর্জেন্টাইন এ তারকা, তবে দলকে বাঁচাতে তা যথেষ্ট ছিলো না।
ফুটবল দুনিয়ায় তাই শনিবার দিনটি হয়ে রইলো বিশেষ— একদিকে রোনালদো পরিবারের দ্বৈত আনন্দ, অন্যদিকে মেসির একাকী লড়াই।
সবার দেশ/কেএম




























