Sobar Desh | সবার দেশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৭:২১, ২২ মার্চ ২০২৬

মস্কোর দাবি—ভূপাতিত ২৮৩

রাশিয়াজুড়ে ইউক্রেনের নজিরবিহীন ড্রোন হামলা

রাশিয়াজুড়ে ইউক্রেনের নজিরবিহীন ড্রোন হামলা
ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে একযোগে ২৮০টির বেশি ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। যুদ্ধ শুরুর পর এটিকে কিয়েভের অন্যতম বৃহৎ ড্রোন আক্রমণ হিসেবে দাবি করেছে মস্কো। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাতে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থাগুলো এ তথ্য জানিয়েছে।

রুশ কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার রাতভর চলা এ হামলায় মোট ২৮৩টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। বিভিন্ন অঞ্চলে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রেখে এসব ড্রোন প্রতিহত করা হয়।

দক্ষিণাঞ্চলের রোস্তভ অঞ্চলের গভর্নর ইউরি স্লিউসার জানিয়েছেন, শুধু এ অঞ্চলেই প্রায় ৯০টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

এদিকে রাজধানী মস্কোর দিকেও ড্রোন হামলার চেষ্টা চালানো হয়। শহরের মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানিয়েছেন, রাজধানীমুখী অন্তত ২৭টি ড্রোন প্রতিহত করেছে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এতে শহরে বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি বলে জানান তিনি।

তবে সব এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যায়নি। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সারাতভ অঞ্চলে ড্রোন আঘাতে কয়েকটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত দুইজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন অঞ্চলটির গভর্নর রোমান বুসারগিন।

২০২২ সালে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে রাশিয়ার অভ্যন্তরে এ ধরনের হামলা বাড়িয়েছে ইউক্রেন। কিয়েভের দাবি, তাদের হামলার মূল লক্ষ্য রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটি ও জ্বালানি অবকাঠামো, যাতে যুদ্ধ পরিচালনায় মস্কোর সক্ষমতা দুর্বল করা যায়।

এদিকে চলমান সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতাও জোরদার করার ইঙ্গিত মিলেছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, স্থবির হয়ে পড়া শান্তি আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে স্থগিত হয়ে থাকা রাশিয়াকে ঘিরে ত্রিপক্ষীয় আলোচনার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে স্পষ্ট বার্তা জানতে চায় কিয়েভ। এতে করে যুদ্ধের কূটনৈতিক সমাধানের পথ কতটা এগোতে পারে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

বাউফলে নিখোঁজ চার কিশোরী চারদিন পর উদ্ধার
সিলেটে চলন্ত ট্রেনে আগুন, রাতভর আতঙ্কে যাত্রীরা
তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন: আসিফ নজরুল
হাম সংকটের দায় কি ড. ইউনূসের? তথ্য-উপাত্ত বলছে ভিন্ন বাস্তবতা
৫০ ওভারের ম্যাচে ৮২২ রান! প্রতিপক্ষ অলআউট মাত্র ২৮-এ!
ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় উত্তাল জাবি, বিক্ষুব্ধ ছাত্রীরা রাস্তায়
ইরান সংঘাতে ৩৯ মার্কিন বিমান ধ্বংস
গ্রেফতার আতঙ্কে ফিলিপাইনের পার্লামেন্টে আশ্রয়, বের করতে গোলাগুলি
মানুষ দেখলেই গুঁতো দেয়া পশুর নাম রাখলেন ‘নেতানিয়াহু’
ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে সাদিক কায়েমের আকদ সম্পন্ন
নবম পে স্কেলের সম্ভাব্য বেতন গ্রেড প্রকাশ
নোয়াখালীতে দুই ডেন্টাল ল্যাবের কার্যক্রম বন্ধ, লাখ টাকা জরিমানা
শার্শার কেমিক্যাল ছিটিয়ে পাকানো হচ্ছে আম, দেখার কেউ নেই
ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ
উচ্চ রক্তচাপ এখন দেশের শীর্ষ রোগ, টেকসই অর্থায়ন জরুরি
মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণ নিয়ে উদ্বেগ: বুয়েটকে গবেষণার নির্দেশ হাইকোর্টের