তবে বাস্তবায়নে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ
জুলাই সনদের জেন্ডার নিয়ে নিশ্চিত নই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়নের প্রতি সরকার শতভাগ অঙ্গীকারবদ্ধ। তবে তিনি বলেন, এ আদেশটি ম্যাসকুলিন, ফেমিনিন না কমন জেন্ডার—এটি তিনি জানেন না।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এছাড়া বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হওয়ার আগে রাষ্ট্রপতির আদেশ জারি করার এখতিয়ার ছিলো স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ভিত্তিতে। ১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি অর্ডিন্যান্স জারির ক্ষমতা পান। সংবিধান গৃহীত হওয়ার পর অর্ডারের জমানা শেষ। তখন রাষ্ট্রপতির এমন আদেশ কার্যকর করা সংবিধান অনুসারে কতটা বৈধ, আমরা প্রশ্ন তুলেছিলাম।
তিনি বলেন, জামায়াত বলছে আলাদা শপথ নিতে হবে। এসব কথা তারা গায়ের জোরে বলছে। আমরা সংবিধান মেনে এসেছি, এখনও সংবিধান মেনে চলছি। সংবিধান মেনে এগিয়ে যাবো।
তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদকে সরকার অস্বীকার করছে না। আমরা প্রতিটি শব্দ ও অক্ষর গ্রহণ করি এবং জাতির কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটি বাস্তবায়ন করা হবে। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী জনগণের ম্যান্ডেটও আমরা অনুসরণ করবো। তবে যতটুকু রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে, শুধুমাত্র সে পরিসরে এটি বাস্তবায়িত হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, গণভোটের রায় কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, তা নিয়ে জাতীয় সংসদে আলোচনা হবে। সংবিধান সংশোধন ও আইন প্রণয়ন সবই সংসদের এখতিয়ারে। এরপর সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ এবং সংবিধান সংশোধনের কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
আইনজীবী সমাজের প্রতি সরকারের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, আইনের শাসন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার সে প্রত্যাশা নিয়েই কাজ করছে।
সবার দেশ/কেএম




























