বিএনপি-জামায়াতের বাইরে জোট গঠনে তৎপরতা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বাইরে নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে ৯টি দল। এদের মধ্যে রয়েছে গণতন্ত্র মঞ্চের ছয়টি দল, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণঅধিকার পরিষদ ও এবি পার্টি।
বুধবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীতে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠক শেষে গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা অনেক দিন ধরেই বিএনপি-জামায়াতের বাইরে নতুন রাজনৈতিক বলয় তৈরির বিষয়ে আলোচনা করছি। এবার সেটিই আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনার টেবিলে এসেছে। যেহেতু আমাদের কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপি বা জামায়াতের সঙ্গে জোটে নেই, তাই তৃতীয় শক্তি হিসেবে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি কি না— তা নিয়েই আলোচনা চলছে।
তিনি আরও বলেন,
আমরা আন্তরিকভাবে চাই একটি নতুন বিকল্প শক্তি তৈরি হোক, জনগণও এখন সেটাই চায়। বিএনপি-জামায়াতের বাইরে থাকা নয়টি দল ছাড়াও আমরা অন্য কয়েকটি রাজনৈতিক সংগঠনকেও এতে যুক্ত করতে চাই।
সভায় এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, জুলাই সনদে আমরা স্বাক্ষর না করলেও ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তবে এটি বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব সরকারের। যদি সরকার এ উদ্যোগে ব্যর্থ হয়, তাহলে তারা জনগণের প্রতিনিধিত্ব হারাবে।
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম বলেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের বিষয়ে সরকার সাত দিনের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐকমত্যে পৌঁছাতে বলেছে। এখন দায়িত্ব দলগুলোরই—তারা কীভাবে এ সংকট সমাধান করতে চায়। আমরা সে জায়গা থেকেই একসঙ্গে বসেছি, কিছু বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে, অন্য দলগুলোর সঙ্গেও আলাপ চলবে।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, জেএসডির সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রব, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ কায়সার এবং ভাসানী জনশক্তি পার্টির মহাসচিব ড. আবু ইউসুফ সেলিম প্রমুখ।
সবার দেশ/কেএম




























