মিডিয়া আবারও পুরোনো বায়াসে ফিরছে, এবার ছাড় নয়: আসিফ মাহমুদ
গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি দাবি করেন, দেশের কিছু গণমাধ্যম আবারও ৫ আগস্টের আগের মতো ‘বায়াসড’ অবস্থানে ফিরে যাচ্ছে এবং নির্দিষ্ট একটি দলকে মিসইনফরমেশন ও ফ্রেমিংয়ের মাধ্যমে সহযোগিতা করছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিনসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ৫ আগস্টের আগের এমন অবস্থানের কারণে আমরা যথেষ্ট ছাড় দিয়েছি। তখন কোনও ব্যবস্থা নেয়া হয়নি, এক ধরনের ক্ষমা করে দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু এবারের নির্বাচনের পর আর ছাড় দেয়া হবে না। যারা বায়াসড ভূমিকা রাখছেন, তাদের প্রতি সতর্কবার্তা—আমরা নোট রাখছি কারা কী করছেন।
নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, কেউ কেন্দ্র দখল বা ভোট চুরির চেষ্টা করলে এনসিপি চুপ করে থাকবে না। আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবো না। সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তুলবো। আমরা শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবো, কোনোভাবেই মাঠ ছাড়বো না, বলেন তিনি। যেকোনও পরিস্থিতিতে ১১ দলীয় জোট থেকে সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলেও জানান।
তিনি অভিযোগ করেন, সারাদেশে ভুয়া খবর ছড়ানো হচ্ছে এবং যাদের নিরপেক্ষ থাকার কথা, তারাও পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছেন। বিভিন্ন এলাকায় এনসিপির প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টদের বাধা দেয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান আসিফ মাহমুদ।
টাকা উদ্ধারের নামে হয়রানির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ২০ হাজার টাকা উদ্ধারের নামেও জামায়াত নেতাকে হেনস্তা করা হয়েছে। বাসায় গিয়ে টাকা ও ল্যাপটপ উদ্ধারের নামে নাটক মঞ্চায়ন করা হচ্ছে। ১১ দলীয় জোট ও তাদের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ‘ন্যারেটিভ’ তৈরির চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে ভোটারদের সঙ্গে অর্থ লেনদেনে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে যৌথবাহিনী ও সেনাবাহিনীর প্রশংসাও করেন এনসিপির এ নেতা। তিনি বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভোটারদের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়েছে। রাতের মধ্যেই সব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এতে ভোটাররা নিরাপদে ভোট দিতে পারবেন।
সবার দেশ/কেএম




























