নিজের যোগ্যতায় চাকরি নেবো: ইউনূসের প্রস্তাবে হাদির স্ত্রী
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা জানিয়েছেন, তিনি সরকারি সহায়তায় চাকরি নিতে চান না; নিজের যোগ্যতায় চাকরি অর্জন করবেন।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ড. ইউনূসের বাসভবন যমুনায় শম্পা ও তার সন্তান ফিরনাসকে সাক্ষাতের জন্য ডাকা হয়। বিষয়টি শম্পা নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন।
তিনি জানান, শুরুতে সাক্ষাতের উদ্দেশ্য স্পষ্ট ছিলো না। পরে তিনি জানতে পারেন, হাদির সন্তানের দেখাশোনার বিষয়ে আগে দেয়া প্রতিশ্রুতির কাগজপত্র হস্তান্তরের জন্যই তাদের ডাকা হয়েছে।
রাবেয়া ইসলাম শম্পা বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্যার আজকে তার বাসভবনে ফিরনাসকে এবং আমাকে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য ডেকেছিলেন ১২টায়। সেই আসা হলো মাঝখানে আমার ইনকিলাবের ভাইবোন গুলোকে নির্যাতনের স্বীকার হতে হলো। এতে স্পষ্ট বোঝা যায় এক পক্ষ এখন ও সরকারের মধ্যে যারা হাসিনার দোসর।
শম্পা বলেন, তিনি ড. ইউনূসকে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন— তার স্বামীর হত্যার বিচার নিশ্চিতের ব্যাপারে সর্বোচ্চ চেষ্টা না করা হলে তার ছেলে কোনও সহায়তা গ্রহণ করবে না। এ বিষয়ে ড. ইউনূস তাকে আশ্বস্ত করেছেন বলে জানান তিনি। শম্পার ভাষ্য অনুযায়ী, ড. ইউনূস বলেছেন, তার হাতে যতটুকু ক্ষমতা আছে, এমনকি প্রয়োজনে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তদন্তের বিষয়টি এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করবেন।
চাকরির বিষয়ে আলাপকালে শম্পা জানান, তিনি নিজের যোগ্যতায় চাকরি নিতে চান। তবে সন্তানের জন্য নেয়া উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
এদিকে শম্পা অভিযোগ করেন, যমুনায় যাওয়ার পথে তার পরিচিত কয়েকজন ‘নির্যাতনের শিকার’ হয়েছেন। এ ঘটনায় ড. ইউনূস দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সাক্ষাৎ শেষে শম্পা বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সহায়তার আশ্বাস পেয়েই তিনি সেখান থেকে ফিরে এসেছেন।
সবার দেশ/কেএম




























