Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২:০০, ৬ নভেম্বর ২০২৫

আপডেট: ২২:০১, ৬ নভেম্বর ২০২৫

আমরা খেলতে আসিনি, খেলার নিয়মই বদলাতে এসেছি

বাংলাদেশের পরবর্তী নেতৃত্ব দেবে এনসিপি: হাসনাত আবদুল্লাহ

বাংলাদেশের পরবর্তী নেতৃত্ব দেবে এনসিপি: হাসনাত আবদুল্লাহ
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ ঘোষণা দিয়েছেন— দেশের পরবর্তী নেতৃত্ব দেবে এনসিপি। তিনি বলেন, গুলি খেতে না চাইলে, অনিয়ম, ঘুষ ও দুর্নীতি থেকে বাঁচতে চাইলে এনসিপিতে চলে আসুন। আমরা সম্মান দেবো, ন্যায় দেবো।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে রাঙামাটি শহরের প্রফেসর কুমার সুমিত রায় জিমনেসিয়ামে আয়োজিত পার্বত্য তিন জেলার (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাসনাত এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন,

বাংলাদেশে এখন সময় এসেছে আওয়ামী লীগকে না বলার। এনসিপি যে অবস্থান নেয়, বিএনপি-জামায়াতও সেখানে আসতে বাধ্য হয়। এনসিপির জন্ম রাজপথে, তাই রাজপথেই আমরা লড়বো। আগামী দশ বছরের মধ্যে এনসিপি সরকার গঠন করবে।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, 

যারা ব্যালটের চেয়ে বুলেটকে শক্তিশালী করেছে, তাদের বিচার হবে। যারা ব্যালটের প্রস্তুতি না নিয়ে বুলেটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, জনগণ তাদের জবাব দেবে ব্যালটে। দেশের মানুষ এখন অস্ত্রের রাজনীতি, চাঁদাবাজি ও মাফিয়া রাজনীতি থেকে মুক্তি চায়। আগামীর ভোট হবে এ দানবীয় রাজনীতির বিরুদ্ধে।

দেশ পুনর্গঠনের ডাক দিয়ে তিনি আরও বলেন, 

আমরা জোটে বিশ্বাস করি না, বিশ্বাস করি রাষ্ট্র পুনর্গঠনে। কোনো টাকা, গুন্ডা বা পেশিশক্তি ছাড়াই যদি পাচশো ভোটও পাই, সেটাই আমাদের বড় পাওয়া। আমরা খেলতে আসিনি, খেলার নিয়মই বদলাতে এসেছি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন এনসিপি রাঙামাটি জেলার প্রধান সমন্বয়কারী বিপিন জ্যোতি চাকমা। এসময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সমন্বয়কারী জুবাইরুল হাসান, বিভাগীয় সমন্বয়কারী এ এস এম সুজাউদ্দিন, পার্বত্য অঞ্চল তত্ত্বাধায়ক ইমন ছৈয়দ, শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক কলিন চাকমা, বান্দরবানের প্রধান সমন্বয়কারী শহিদুর রহমান সোহেল ও খাগড়াছড়ির প্রধান সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমা প্রমুখ।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

খামেনি হত্যার প্রতিশোধের লাল পতাকা উড়ালো ইরান
ইসরায়েলি হামলায় কেঁপে উঠলো ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবন
চরাঞ্চলের অর্থনীতিতে ভরসা প্রাণিসম্পদ খাত, সেবার সংকটে শঙ্কা
রাষ্ট্রপতির অভিশংসনেই সংসদের যাত্রা শুরু হোক: আসিফ
ইরানে হামলার তীব্র নিন্দা জামায়াত আমিরের
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করে গ্রেফতারের দাবি নাহিদ ইসলামের
যুক্তরাষ্ট্রে রাতভর গোলাগুলি, নিহত ৩, আহত ১৪
ভারত থেকে দেশে ফিরলো আওয়ামী এমপির লাশ
যশোরে জেলা জজ পদশূন্য, ভারপ্রাপ্ত জজের ওপর অনাস্থা
খামেনিকে হত্যা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
কোকো ভাইয়ের অবদান তুলে ধরতে পারিনি—অনুশোচনায় তামিম
হরমুজ প্রণালি বন্ধে বিশ্ব তেলবাজার টালমাটাল-দাম লাফিয়ে প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দায়িত্বশীল প্রশাসনের ওপর গুরুত্বারোপ
বীরগঞ্জে ২ মাদক সেবীর কারাদণ্ড
খাগড়াছড়িতে আঞ্চলিক ও জেলা পরিষদ নির্বাচনসহ ৭ দফা দাবিতে স্মারকলিপি
আধিপত্যবাদের নগ্নরূপ: আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট
ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমেদিনেজাদ নিহত: রিপোর্ট
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র চুরমার করলো ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা, নিহত ৮