রায় ঘিরে উত্তেজনায় রাজধানী
তেজগাঁওয়ে ট্রেনের কোচে অগ্নিসংযোগ, আটক ২
রাজধানীতে অগ্নিসংযোগ ও নাশকতার ধারাবাহিকতায় এবার আগুন দেয়া হলো ট্রেনের একটি পরিত্যক্ত কোচে। বুধবার (১২ নভেম্বর) রাতে তেজগাঁও রেলওয়ে স্টেশনের আউটার এলাকায় রাখা ট্রেনের ওই কোচে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে রেলওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ঘটনায় সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করেছে রেলওয়ে পুলিশ।
এ ঘটনা এমন এক সময় ঘটলো, যখন বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ভারতে পলাতক হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা করার কথা রয়েছে। দিনটিকে ঘিরে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ডাকা তথাকথিত ‘লকডাউন কর্মসূচি’কে কেন্দ্র করে রাজধানীতে একের পর এক নাশকতার ঘটনা ঘটছে।
গত কয়েক দিনে রাজধানীতে অন্তত ১৩টি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া আতঙ্ক সৃষ্টি করতে বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। সর্বশেষ তেজগাঁওয়ের এ ট্রেন অগ্নিকাণ্ডে পুরো রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশের দাবি, ঢাকার বাইরে থেকে সংগঠিতভাবে লোক এনে এসব নাশকতার ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে ভাড়াটে লোকদের ব্যবহার করা হচ্ছে নির্দিষ্ট স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের জন্য।
রাজধানীতে নাশকতা ঠেকাতে ইতিমধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। ডিএমপির ৫০টি থানায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোয় মোতায়েন করা হয়েছে র্যাব ও বিজিবি সদস্যদের।
বুধবার সকাল থেকেই হাইকোর্ট এলাকা, বাংলা একাডেমি, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, শাহবাগ ও মতিঝিলসহ রাজধানীর কৌশলগত স্থানে বিজিবি সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, রায় ঘোষণার দিনকে কেন্দ্র করে কোনো নাশকতা বা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হলে কঠোর হাতে দমন করা হবে।
সবার দেশ/কেএম




























