স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মণির প্রতিশ্রুতি
ভোট দিন, বিয়ে সহজ করে দেবো
নির্বাচনি প্রচারণায় যখন উন্নয়ন, সংস্কার ও বড় রাজনৈতিক অঙ্গীকারের প্রতিযোগিতা চলছে, তখন একেবারেই ভিন্ন ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আলোচনায় এসেছেন ঠাকুরগাঁও-৩ (পীরগঞ্জ ও রাণীশংকৈল) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী আশা মণি। উন্নয়ন প্রকল্পের বদলে ভোটারদের জন্য ‘বিয়ে সহজ করে দেয়ার’ ঘোষণা দিয়ে ইতোমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়া ও জনমহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায় গণসংযোগকালে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আশা মণি বলেন, নির্বাচনি প্রচারণার সময় তরুণ ভোটারদের কাছ থেকে তিনি ভিন্ন ধরনের অনুরোধ পাচ্ছেন।
তিনি বলেন, অনেক তরুণ তার কাছে বিয়ের ব্যবস্থা করে দেয়ার অনুরোধ করছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে তিনি তরুণদের জন্য বিয়ে সহজ করার উদ্যোগ নেবেন।
গণসংযোগের সময় শুধু তরুণ ভোটার নয়, বয়স্ক ভোটারদের কাছেও তিনি মজার ছলে ভোট চান বলে জানান আশা মণি। দাদা-দাদি, নানা-নানি কিংবা চাচা-চাচিদের কাছেও তিনি ‘বিয়ের উপহার’ হিসেবে একটি করে ভোট চেয়েছেন বলে জানান তিনি।
তার এ ব্যতিক্রমী বক্তব্য দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে হাস্যরসাত্মক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
ফেসবুক ব্যবহারকারী জয়দেব দেবনাথ লিখেছেন, কেউ বেহেশতের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, কেউ পরিবারভিত্তিক সুবিধা কার্ডের কথা বলছে, আর আশা মণি বউ অথবা স্বামী দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন—এমন মন্তব্যও দেখা গেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনি প্রচারণায় ভিন্নধর্মী বার্তা ভোটারদের নজর কাড়তে পারে। তবে বাস্তবায়নযোগ্যতা এবং নীতিগত অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন থাকতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।
এ ব্যতিক্রমী প্রতিশ্রুতি ইতোমধ্যে সাধারণ ভোটার, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে কৌতূহল ও আলোচনা তৈরি করেছে।
সবার দেশ/কেএম




























