নির্বাচনী গাড়িতে ১৫ লাখ টাকা উদ্ধার, ব্যাখ্যা দিলেন এ্যানি
লক্ষ্মীপুর–৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত একটি গাড়ি থেকে ১৫ লাখ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে রাতেই ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে শহরের ঝুমুর এলাকায় একটি তল্লাশি চৌকিতে গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এ সময় গাড়ি থেকে নগদ ১৫ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। গাড়িতে থাকা এ্যানির ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ও কৃষক দলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি বদরুল ইসলাম শ্যামলসহ তিনজনকে আটক করা হলেও পরে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।
ঘটনার পর নির্বাচন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সদস্য এবং লক্ষ্মীপুর জেলা জজ আদালতের বিচারক তাহরিনা আক্তার নওরিন ১৫ লাখ টাকা উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের আধা ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে রাতেই ‘বিএনপি মিডিয়া সেল’ ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, তিনি নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত ছিলেন এবং শুনেছেন তার নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই গাড়িতে তার নির্বাচনী এজেন্ট বিভিন্ন কেন্দ্রে যাচ্ছিলেন এবং কেন্দ্রভিত্তিক নির্বাচনী ব্যয়ের জন্য ১৫ লাখ টাকা নেয়া হচ্ছিলো।
তিনি দাবি করেন, কর্তৃপক্ষ তল্লাশি চালিয়ে বিষয়টি যাচাই করেছে এবং পরে সংশ্লিষ্টদের ছেড়ে দিয়েছে। এ নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় আলোচনা চলছে। নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি ও অর্থ লেনদেনের বিধিনিষেধের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি কতদূর গড়ায়, সেদিকে নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।
সবার দেশ/কেএম




























