ক্রান্তিকালে দেশের দায়িত্ব নিয়েছিলেন শহীদ জিয়া: ইবি উপাচার্য
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) যথাযথ মর্যাদায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। শুক্রবার (৩০ মে) দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১১ টার দিকে প্রশাসন ভবনের সামনের চত্বর থেকে একটি শোক র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্থাপিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
এসময় তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ভিত্তিপ্রস্তরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। এ সময় সাথে ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. এয়াকুব আলী, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মোঃ মনজুরুল হক।
প্রশাসনের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব, অনুষদ, হল, বিভাগ, ছাত্র সংগঠন এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন পর্যায়ক্রমে সুশৃঙ্খলভাবে ভিত্তিপ্রস্তরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন পর্ব শেষে বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে গরীব ও দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। এছাড়াও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনায় পবিত্র কুরআন খতম এবং বাদ জুম্মা কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
উপাচার্য ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় তার প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী আয়োজন করেছে। তিনি ক্ষমতা দখল করেননি বরং মানুষের দাবীর প্রেক্ষিতে তাকে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। তিনি কাজ করেছিলেন মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্যে, রাজনৈতিক মুক্তির জন্যে। তিনি চেয়েছিলেন স্বাধীনতার পরে প্রথম স্থাপিত এই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আধুনিক শিক্ষা ও ইসলামী শিক্ষার সমন্বয় হবে। আমরা আশা করছি, আমরা বর্তমানে যারা আছি তার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে পারবো।
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী বলেন, ১৯৭৬ সালের পহেলা ডিসেম্বর তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শুধুমাত্র একজন সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে নয় বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেও তার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে গরীব দুঃখীদের জন্য খাবারের আয়োজন করেছে। এছাড়াও আমরা বাদ জুম্মা তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করা হবে।
সবার দেশ/কেএম




























