নতুন করোনা শনাক্ত ১৫
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ করোনায় ২ জনের মৃত্যু
দেশজুড়ে ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে ডেঙ্গু পরিস্থিতি। গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছেন ৫ জন। তাদের মধ্যে তিনজন নারী ও দুইজন পুরুষ। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫৯ জন ডেঙ্গুরোগী।
শুক্রবার (১৩ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, একদিনে ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যুর মধ্যে বরিশাল বিভাগেই মারা গেছেন ৪ জন, আর একজন মারা গেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায়। চলতি বছর এটাই একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। এ পর্যন্ত ২০২৫ সালে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ জনে।
গত ২৪ ঘণ্টায় যে ১৫৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) রয়েছেন ১২৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৯ জন, ঢাকা বিভাগে ৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১২ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১ জন, খুলনা বিভাগে ৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ১ জন।
একই সময়ের মধ্যে ১০৪ জন রোগী চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন। চলতি বছর মোট ৫ হাজার ১১ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
২০২৫ সালের ১৩ জুন পর্যন্ত দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৫৭০ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে ৫৫ দশমিক ৩ শতাংশ পুরুষ এবং ৪৪ দশমিক ৭ শতাংশ নারী।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৫ জন।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭৪টি নমুনা পরীক্ষায় এ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এ সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৩ জন। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ১৯ হাজার ৪০১ জনে।
মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এখন ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ জন এবং এ পর্যন্ত মারা গেছেন ২৯ হাজার ৫০২ জন।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ এবং প্রথম মৃত্যু হয় ওই বছরের ১৮ মার্চ। ২০২৩ সালের মে মাসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা সংক্রান্ত বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করে।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশে করোনার নতুন ধরন JN.1 শনাক্ত হয়, যা ‘ভেরিয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্ষা মৌসুমের আগমনে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে করোনার নতুন ধরনও নজরদারিতে রাখা জরুরি।
সবার দেশ/কেএম




























