শহীদ হাদির হত্যার বিচার দাবি
‘স্যালুটিং আওয়ার কালচারাল হিরো’ কর্মসূচি ঘোষণা ইনকিলাব মঞ্চের
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচার দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি। এর অংশ হিসেবে আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সারাদিনব্যাপী অনলাইনে ‘স্যালুটিং আওয়ার কালচারাল হিরো’ শিরোনামে বিশেষ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে চলমান অবরোধ কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের এ কর্মসূচির কথা জানান।
তিনি বলেন, সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে—আগামীকাল রাত ১২টা থেকে নিজেরা, সন্তানরা এবং বিভিন্ন মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে শহীদ হাদিকে সাংস্কৃতিক আইকন হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার লক্ষ্যে ডকুমেন্টারি ভিডিওগ্রাফি, আবৃত্তি, বিশ্লেষণমূলক লেখা এবং সব ধরনের ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করতে। তার ভাষায়, আগামীকাল সোশ্যাল মিডিয়া, মূলধারার গণমাধ্যম এবং জনপরিসরে একটাই নাম উচ্চারিত হোক—শহীদ হাদি।
আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, এ অনলাইন প্রচারণা শেষে পরবর্তী দিনে আবারও মাঠে ফিরবে ইনকিলাব মঞ্চ। তিনি বলেন, আন্দোলন থামানোর জন্য তারা বসে নেই। একজন চলে গেলে আরেকজন দাঁড়িয়ে যাবে, কিন্তু ইনসাফের লড়াই থামবে না। ভয় না পাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একবার ভয় ঢুকে গেলে আজাদি আর পাওয়া যায় না।
তিনি আরও বলেন, যারা বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে নিজেদের সম্পত্তি মনে করে, তারা শহীদ হাদিকে সাংস্কৃতিক আইকন হিসেবে স্বীকৃতি দিতে ভয় পায়। কারণ তাদের সংস্কৃতির সঙ্গে দিল্লির তাবেদারি জড়িত। সে তাবেদারি ছুড়ে ফেলে দিয়ে বাংলাদেশের যে নতুন সাংস্কৃতিক জাগরণ, তা শহীদ হাদির হাত ধরেই শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আগামী দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহীদ উসমান হাদির বক্তব্য, কর্ম ও চিন্তা নিয়ে বিশ্লেষণমূলক লেখা, ভিডিও ও ডকুমেন্টারি প্রচারের আহ্বান জানান ইনকিলাব মঞ্চের এ নেতা।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন আব্দুল্লাহ আল জাবের। তিনি বলেন, এত বড় একটি কর্মসূচি চলাকালে আশপাশে অস্ত্রধারীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হলেও তারা আবার ফিরে আসে। এতে প্রশাসনের একটি অংশের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত পাওয়া যায় বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, শহীদের রক্ত দিয়ে কখনও ইনসাফের লড়াই থামানো যায় না। শহীদ হাদি এ লড়াইয়ের পথ তৈরি করে গেছেন। এখন সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময়। ইনসাফের এ সংগ্রাম আজীবন ও আমৃত্যু চলবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সবার দেশ/কেএম




























